Sunday, 8 November 2026 · 28 Jumada I 1448 AH

সকালের সংবাদ

The Maldives, every morning at 7

The stories that matter in politics, business, tourism and the atolls, written by our own newsroom. Free, one email a day, unsubscribe any time.

বিশ্ব

মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস ডেমোক্র্যাটদের হাতে যেতে পারে, তবে ট্রাম্পকে অপসারণ এখনও দূরের কথা

আগামী ৩ নভেম্বর মার্কিন ভোটাররা প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন এবং সিনেটের ৩৫টি আসনে ভোট দেবেন। ডেমোক্র্যাটরা বলছেন, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পেলে তাঁরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবেন। তবে সিনেটের হিসাব বলছে, তাঁকে পদ থেকে সরানো প্রায় অসম্ভব।

The United States Capitol in Washington, DC, which houses the Senate and the House of Representatives.
The United States Capitol in Washington, DC, which houses the Senate and the House of Representatives.
আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনে মার্কিন কংগ্রেসের দুই কক্ষেরই নিয়ন্ত্রণ নির্ধারিত হবে। এর ফলে ঠিক হবে, মেয়াদের শেষ দুই বছরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটা স্বাধীনভাবে শাসন করতে পারবেন। এবার প্রতিনিধি পরিষদের সবগুলো আসন, অর্থাৎ ৪৩৫টি আসনে ভোট হবে। পাশাপাশি সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে ভোট হবে। বর্তমানে দুই কক্ষেই রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা সামান্য ব্যবধানের, সিনেটে তাদের আসন ৫৩টি। ডেমোক্র্যাটরা প্রকাশ্যেই বলেছেন, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পেলে তাঁরা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবেন। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা নিজেদের প্রচারের কেন্দ্রে রেখেছেন ট্রাম্পকেই। তাঁরা ভোটারদের বলছেন, এই নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির ভাগ্যই নির্ধারিত হবে। মার্কিন সংবিধান প্রেসিডেন্টকে অপসারণের ক্ষমতা কংগ্রেসকে দিয়েছে। তবে এর জন্য আলাদা দুটি ধাপ রয়েছে, যা প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়। প্রথম ধাপ হলো ইমপিচমেন্ট, অর্থাৎ আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ আনা। এর জন্য প্রতিনিধি পরিষদে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতাই যথেষ্ট। ইমপিচ হলেও প্রেসিডেন্ট পদে বহাল থাকেন। দ্বিতীয় ধাপ হলো পদ থেকে অপসারণ, যা অনেক কঠিন। এর জন্য সিনেটের বিচারে ভোটদানকারী সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন লাগে। ১০০ জন সিনেটরের সবাই ভোট দিলে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ৬৭। হিসাব বলছে, এমনটি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ডেমোক্র্যাটদের হাতে এখন সিনেটের ৪৭টি আসন, যার ১৩টি এবার রক্ষা করতে হবে। এবারের ৩৫টি আসনের সবগুলোতে জিতলেও তাঁদের আসন দাঁড়াবে ৬৯টি। অর্থাৎ নিজেদের জোরে ওই সীমা ছুঁতে হলে ৩৫টির মধ্যে ৩৩টিতেই জিততে হবে। এর কম হলে রিপাবলিকান সিনেটরদের নিজ দলের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ভোট দিতে হবে। ইতিহাসও একই কথা বলে। এ পর্যন্ত তিনজন প্রেসিডেন্ট ইমপিচ হয়েছেন: ১৮৬৮ সালে অ্যান্ড্রু জনসন, ১৯৯৮ সালে বিল ক্লিনটন এবং ২০১৯ ও ২০২১ সালে ট্রাম্প। সিনেট প্রত্যেককেই খালাস দিয়েছে, এবং এই পথে আজ পর্যন্ত কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টকে পদচ্যুত করা যায়নি। ১৯৭৪ সালে রিচার্ড নিক্সন ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবে ভোটের আগেই পদত্যাগ করেন। ট্রাম্পই একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি দুইবার ইমপিচ হয়েছেন। তৃতীয়বার হলে সেটিও হবে নতুন এক রেকর্ড। রাজনৈতিক পঞ্জিকার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট সচেতন বলেই মনে হচ্ছে। গত ৮ অক্টোবর তিনি বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালাবে না, এবং তেহরানের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ মাসের শেষ নাগাদ তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী ও কয়েক হাজার অতিরিক্ত সেনা ওই অঞ্চলে পৌঁছাতে পারে।