Sunday, 8 November 2026 · 28 Jumada I 1448 AH

সকালের সংবাদ

The Maldives, every morning at 7

The stories that matter in politics, business, tourism and the atolls, written by our own newsroom. Free, one email a day, unsubscribe any time.

মালদ্বীপ

অপরাধলব্ধ সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের বিল আনলেন ফাজাদু

ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে দোষী সাব্যস্ত না করেও দেওয়ানি প্রমাণের মানদণ্ডে অপরাধলব্ধ সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের সুযোগ দিতে সরকারের পক্ষে বিল উত্থাপন করেছেন আলী ফাজাদু।

Ali Fazad has submitted a government bill allowing criminal assets to be confiscated in exceptional circumstances without a conviction, subject to civil standards of proof.
Ali Fazad has submitted a government bill allowing criminal assets to be confiscated in exceptional circumstances without a conviction, subject to civil standards of proof.
নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে দোষী সাব্যস্ত না করেও অপরাধলব্ধ সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের সুযোগ দিতে বিল উত্থাপন করেছেন আলী ফাজাদু। ওয়ান অনলাইনের 2026 সালের 6 অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিলটি নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়েছে। ফুভামুলাকু মধ্য আসনের পিএনসি সদস্য ফাজাদু সরকারের পক্ষে পিপলস মজলিসে বিলটি উত্থাপন করেছেন। অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ জব্দ ও রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আইনি কাঠামো তৈরির জন্য বিলটি আনা হয়েছে। বিলের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত না হলেও দেওয়ানি আদেশের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সম্পদ অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে বলে দেওয়ানি প্রমাণের মানদণ্ডে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এ প্রক্রিয়ায় সম্পদ জব্দ বা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের ক্ষমতা প্রসিকিউটর জেনারেলকে দেওয়ার বিধান রয়েছে বিলে। দেওয়ানি নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশের উদ্দেশ্য হলো সম্পদের ব্যবহার, পরিবর্তন বা গোপন করা বন্ধ করা। অন্যদিকে, দেওয়ানি বাজেয়াপ্তকরণ আদেশের মাধ্যমে সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে নেওয়া হয়। ফলে সম্পদ জব্দ করা এবং সেই সম্পদের মালিকানা রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করা দুটি পৃথক ব্যবস্থা। প্রতিবেদনে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যু, পলাতক থাকা এবং বিচারিক কার্যক্রম চালানো অসম্ভব হওয়ায় মামলা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ না থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব পরিস্থিতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শর্তগুলোর পূর্ণাঙ্গ বিবরণ সরবরাহ করা তথ্যে নেই। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর সম্পদ বাজেয়াপ্তের আদেশ চেয়ে প্রসিকিউটর জেনারেলকে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। এমন আদেশের মাধ্যমে সম্পদের মালিকানা রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তরের বিধান রয়েছে বিলে। বিলের আওতায় রয়েছে অর্থপাচার, সন্ত্রাসবাদ ও এতে অর্থায়ন, হত্যা, দুর্নীতি এবং সংঘবদ্ধ গুরুতর অপরাধ। মাদক, মানব ও অস্ত্র পাচার, যৌন শোষণ এবং বাজারসংশ্লিষ্ট কিছু আর্থিক অপরাধও এর আওতায় রয়েছে। কর না দেওয়ার অপরাধের ক্ষেত্রে বিলে নির্ধারিত অর্থসীমা 500،000 মালদ্বীপের রুফিয়ার বেশি। চুরি, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, চোরাই পণ্য পাচার এবং পণ্য চোরাচালানের ক্ষেত্রে এই সীমা 100،000 মালদ্বীপের রুফিয়ার বেশি। জব্দ করা সম্পদের ব্যবস্থাপনা এবং অন্য দেশের সঙ্গে যৌথভাবে সম্পদ জব্দের ব্যবস্থা নেওয়ার পদ্ধতিও বিলে রয়েছে। মালদ্বীপে থাকা মালদ্বীপের নাগরিক ও বিদেশি এবং বিদেশে থাকা মালদ্বীপের নাগরিকদের ক্ষেত্রে আইনটি প্রয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদেশে থাকা সম্পদ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট পরিসরে এটি প্রয়োগের বিধান রয়েছে।